১. কসমেটিকস ও ত্বকের যত্নে (Personal Care)
-
ত্বকের আর্দ্রতা রক্ষায়: বিশেষ করে শীতকালে শুষ্ক ত্বক, ফাটা ঠোঁট এবং হাত-পায়ের গোড়ালি নরম রাখতে এটি সরাসরি বা লোশনের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করা হয়।
-
সাবান ও ফেসওয়াশ তৈরিতে: সাবান তৈরির প্রক্রিয়ায় প্রাকৃতিক উপায়ে গ্লিসারিন উৎপন্ন হয়। এটি সাবানকে মৃদু করে এবং ত্বককে অতিরিক্ত শুষ্ক হওয়া থেকে বাঁচায়। (যেমন: Transparent বা স্বচ্ছ গ্লিসারিন সাবান)।
-
চুলের যত্নে: চুলের শুষ্কতা দূর করতে কন্ডিশনার বা হেয়ার সিরামে এটি ব্যবহার করা হয়।
২. খাদ্য শিল্পে (Food Industry)
-
খাবার নরম রাখতে এবং আর্দ্রতা ধরে রাখতে এটি প্রিজারভেটিভ বা মিষ্টি কারক (Sweetener) হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
-
কেক, পেস্ট্রি বা চকলেটের টেক্সচার ঠিক রাখতে এর ব্যবহার রয়েছে।
৩. ওষুধ ও ফার্মাসিউটিক্যালস
-
কাশির সিরাপ, ক্যাপসুলের বাইরের আবরণ এবং বিভিন্ন ধরনের মলম (Ointment) তৈরিতে গ্লিসারিন ব্যবহার করা হয়।




Reviews
There are no reviews yet.